এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ভোরে দেশের হাজার হাজার কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পৌঁছে গেছে। একই দিনে সংসদ নির্বাচন আর গণভোট, দুটোই সামলাচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান: আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বসা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সাংবিধানিক ভিত্তি | অনুচ্ছেদ ১১৮; স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান |
| গঠন | প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) + ৪ জন নির্বাচন কমিশনার = ৫ জন |
| নিয়োগ | রাষ্ট্রপতি |
| প্রথম সিইসি | বিচারপতি মো. ইদ্রিস (১৯৭২–১৯৭৭) |
| বর্তমান সিইসি | এ এম এম নাসির উদ্দিন (নিয়োগ ২২ নভেম্বর ২০২৪) |
| সদর দপ্তর | নির্বাচন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা |
কমিশনের কাজ
- সংসদ, স্থানীয় সরকার ও গণভোটের নির্বাচন পরিচালনা।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও কমিশনের তত্ত্বাবধানে হয়।
- ভোটার তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ।
- সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণ।
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন; দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেখা।
- নির্বাচনী আইন ভঙ্গ (ঘুষ, ভোট কেনা) তদন্ত।
২০২৬-এর নির্বাচন
- ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ গণভোট একসঙ্গে।
- কমিশনের হিসাবে ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৫৯.৮৮%।
কৌশল: “১১৮-তে কমিশন, ১+৪ = ৫ জন”। প্রথম সিইসি “ইদ্রিস ১৯৭২”।
আরও পড়ুন: জাতীয় সংসদ · স্থানীয় সরকার · জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪
পরীক্ষার ফাঁদ
- নির্বাচন কমিশন অনুচ্ছেদ ১১৭-তে লেখা। ১১৭ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল; নির্বাচন কমিশন ১১৮।
- সিইসি-কে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন লেখা। নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
- কমিশনে ৫ জন নির্বাচন কমিশনার। মোট ৫ জন, তার মধ্যে ১ জন সিইসি।
নিজেকে যাচাই করুন
← আগের পাঠরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা: ২৩তম রাষ্ট্রপতির গল্পপরের পাঠ →বিচার বিভাগ: এক কোর্ট, দুই বিভাগ
সরকার ও প্রশাসন: এই ভাগের সব পাঠ
- স্থানীয় সরকার: মানুষের সবচেয়ে কাছের সরকার
- প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলা: ৮-৬৪-৫০০
- জাতীয় সংসদ ও আইন প্রণয়ন: ৩০০ + ৫০
- রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা: ২৩তম রাষ্ট্রপতির গল্প
- নির্বাচন কমিশন: অনুচ্ছেদ ১১৮-এর প্রহরী (এখন পড়ছেন)
- বিচার বিভাগ: এক কোর্ট, দুই বিভাগ
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রের রেফারিরা