রেমিট্যান্স: প্রবাসীর পাঠানো রেকর্ড

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

সৌদি আরবের নির্মাণক্ষেত্র, মালয়েশিয়ার পাম বাগান, ইতালির রেস্তোরাঁ। এসব জায়গায় কাজ করা লাখো বাংলাদেশি মাস শেষে বাড়িতে টাকা পাঠান। এই টাকাই রেমিট্যান্স। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই টাকা ছুঁয়েছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অঙ্ক।

রেমিট্যান্স ২০২৫-২৬

বিষয়তথ্য
মোট (জুলাই ২০২৫–জুন ২০২৬)৩,৫৫৬ কোটি ডলার (৩৫.৫৬ বিলিয়ন), সর্বকালের রেকর্ড
আগের বছর (২০২৪-২৫)প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার
প্রবৃদ্ধিপ্রায় ১৭%
তথ্যের উৎসবাংলাদেশ ব্যাংক

রপ্তানির পাশে রেখে দেখুন

খাত (২০২৫-২৬)অঙ্ক
মোট পণ্য রপ্তানিপ্রায় ৪৮.২৮ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দুই বড় খুঁটি: পোশাক রপ্তানি আর প্রবাসী আয়। রেমিট্যান্সের সুবিধা হলো এর জন্য কাঁচামাল আমদানি করতে হয় না, তাই প্রায় পুরোটাই নিট আয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত রাখে, টাকার মান ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  • গ্রামের পরিবারের আয় বাড়ায়; বাড়ি, শিক্ষা, ছোট ব্যবসায় খরচ হয়।
  • বৈধ পথে (ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং) পাঠালে সরকার প্রণোদনা দেয়; হুন্ডির মতো অবৈধ পথ ঠেকানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

কৌশল: “৪৮ আর ৩৫, দুই পায়ে দাঁড়ানো দেশ”: রপ্তানি ৪৮, রেমিট্যান্স ৩৫ (বিলিয়ন ডলার, ২০২৫-২৬)।

আরও পড়ুন: পোশাক শিল্প ও রপ্তানি · সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতি: ১০০-তে ২৪

পরীক্ষার ফাঁদ

  • রেমিট্যান্সের হিসাব ক্যালেন্ডার বছরে ভাবা। এখানে অর্থবছর (জুলাই–জুন)।
  • ৩৫.৫৬ বিলিয়নকে ৩৫৫৬ মিলিয়ন বলা ভুল ভাবা। দুটোই এক (১ বিলিয়ন = ১,০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি)।
  • হুন্ডিকে রেমিট্যান্সের বৈধ পথ ভাবা। হুন্ডি অবৈধ; সরকারি হিসাবে আসে না।

নিজেকে যাচাই করুন

অর্থনীতি: এই ভাগের সব পাঠ২ / ৪
  1. জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাষ্ট্রের সংসারের হিসাব
  2. রেমিট্যান্স: প্রবাসীর পাঠানো রেকর্ড (এখন পড়ছেন)
  3. জিডিপি ও মাথাপিছু আয়: ৫০০ বিলিয়নের অর্থনীতি
  4. এলডিসি উত্তরণ ও এসডিজি: ২০২৬ থেকে ২০২৯
অর্থনীতি ভাগের পাতায় যান →