এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
কম্পিউটার যেন একটা মানুষ। চোখ-কান দিয়ে তথ্য নেয় (ইনপুট), মাথায় ভাবে (প্রসেসিং), আর মুখে বলে বা হাতে লেখে (আউটপুট)। যন্ত্রাংশগুলো এই তিন দলে ভাগ করলেই হার্ডওয়্যারের প্রশ্ন সহজ।
তিন অংশ
| অংশ | কাজ | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ইনপুট ইউনিট | তথ্য ভেতরে নেয় | কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, মাইক্রোফোন, লাইট পেন, ট্র্যাকবল, OCR, OMR |
| প্রসেসিং ইউনিট (CPU) | হিসাব আর নিয়ন্ত্রণ | কন্ট্রোল ইউনিট (CU) + অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) |
| আউটপুট ইউনিট | ফল দেখায় বা বের করে | মনিটর (CRT, LCD, LED), প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর, প্লটার |
CPU-এর ভেতরে
- কন্ট্রোল ইউনিট (CU): কম্পিউটারের সব অংশকে নির্দেশ দেয়, যেন অর্কেস্ট্রার পরিচালক।
- ALU: যোগ-বিয়োগের মতো হিসাব আর তুলনা (বড়-ছোট, সমান কিনা) করে।
- প্রক্রিয়ার মাঝের ফল CPU সাময়িকভাবে ধরে রাখে (রেজিস্টারে)।
কৌশল: CPU = কম্পিউটারের মস্তিষ্ক। CU = মস্তিষ্কের “পরিচালক”, ALU = মস্তিষ্কের “হিসাবরক্ষক”।
মাউস
কম্পিউটারের মাউস উদ্ভাবন করেন ডগলাস এঙ্গেলবার্ট, ১৯৬৩ সালে।
পরীক্ষার ফাঁদ
- স্ক্যানারকে আউটপুট যন্ত্র ভাবা। স্ক্যানার কাগজের ছবি ভেতরে নেয়, তাই ইনপুট।
- প্লটারকে ইনপুট ভাবা। প্লটার নকশা আঁকে, তাই আউটপুট।
- ALU-কে নিয়ন্ত্রণের অংশ ভাবা। নিয়ন্ত্রণ CU-এর কাজ; ALU হিসাব করে।
- মাইক্রোফোনকে আউটপুট ভাবা। শব্দ ভেতরে নেয়, তাই ইনপুট; বের করে স্পিকার।
নিজেকে যাচাই করুন
কম্পিউটার: এই ভাগের সব পাঠ
- কম্পিউটারের ইতিহাস ও প্রজন্ম: অ্যাবাকাস থেকে মাইক্রোপ্রসেসর
- সংখ্যা পদ্ধতি: কম্পিউটারের দুই আঙুলের হিসাব
- লজিক গেট: কম্পিউটারের ছোট ছোট দরজা
- মেমোরি: কম্পিউটারের রান্নাঘর
- হার্ডওয়্যার ও পেরিফেরাল: চোখ, মাথা আর মুখ (এখন পড়ছেন)
- সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম: অফিসের ম্যানেজার
- প্রোগ্রামিং ভাষা: মানুষ আর যন্ত্রের সেতু
- ডেটাবেজ: কম্পিউটারের রেজিস্টার খাতা
- কম্পিউটারের সংক্ষিপ্ত রূপ: দলে ভাগ করে মনে রাখুন