ডেটাবেজ: কম্পিউটারের রেজিস্টার খাতা

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

একটা স্কুলের রেজিস্টার খাতা ভাবুন: প্রতিটা লাইনে একজন ছাত্র, প্রতিটা কলামে একটা তথ্য (রোল, নাম, শ্রেণি)। কম্পিউটারে এমন গোছানো তথ্যের ভান্ডারই ডেটাবেজ, আর সেটা চালানোর সফটওয়্যার DBMS (Database Management System)।

রিলেশনাল ডেটাবেজ: টেবিলের জগৎ

১৯৭০ সালে IBM-এর ই. এফ. কড প্রস্তাব করেন, তথ্য রাখা হবে টেবিলে, আর টেবিলগুলো একে অন্যের সাথে সম্পর্কে (relation) যুক্ত থাকবে। এটাই রিলেশনাল মডেল।

শব্দমানেরেজিস্টার খাতায়
টেবিল (relation)একই ধরনের তথ্যের সমষ্টিপুরো রেজিস্টার
রো / রেকর্ড (tuple)একটা একক তথ্য-সারিএকজন ছাত্রের লাইন
কলাম / ফিল্ড (attribute)একটা নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য“নাম” কলাম
প্রাইমারি কিপ্রতিটা রেকর্ডকে আলাদা করে চেনায়; দুটো এক হতে পারে নারোল নম্বর
ফরেন কিএক টেবিলের কলাম, যা আরেক টেবিলের প্রাইমারি কি-এর সাথে মেলে; দুই টেবিল জোড়েফলাফল টেবিলে রোল নম্বর

কৌশল: প্রাইমারি কি = জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (একজনের একটাই, কারও সাথে মেলে না)। ফরেন কি = অন্য অফিসের ফাইলে লেখা সেই নম্বর, যা দিয়ে দুই ফাইল মেলানো যায়।

SQL

SQL (Structured Query Language) হলো রিলেশনাল ডেটাবেজ থেকে তথ্য খোঁজা আর হালনাগাদ করার প্রমিত ভাষা। যেমন: SELECT name FROM students WHERE class = 10; মানে “দশম শ্রেণির সবার নাম দেখাও”।

পরীক্ষার ফাঁদ

  • প্রাইমারি কি-তে একই মান দুবার থাকতে পারে ভাবা। পারে না, প্রতিটা অনন্য।
  • রেকর্ড আর ফিল্ড উল্টে ফেলা: রেকর্ড = সারি (row), ফিল্ড = কলাম।
  • রিলেশনাল মডেলের জনক হিসেবে অন্য কারও নাম লেখা। ই. এফ. কড, ১৯৭০।

নিজেকে যাচাই করুন