এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
কলেজে পড়ার সময় এক তরুণ লিখলেন এক বৃদ্ধ দাদুর কান্নার কবিতা, যিনি একে একে হারিয়েছেন প্রিয়জনদের, আর নাতিকে দেখাচ্ছেন তাঁদের কবর। কবিতার নাম “কবর”। লেখক জসীমউদ্দীন, যাঁকে বাঙালি চেনে পল্লিকবি নামে।
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| জন্ম | ১৯০৩, তাম্বুলখানা গ্রাম, ফরিদপুর |
| মৃত্যু | ১৯৭৬ |
| উপাধি | পল্লিকবি |
| শিক্ষা | ফরিদপুর জিলা স্কুল, রাজেন্দ্র কলেজ; কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ |
| কর্মজীবন | ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ; ১৯৪১ সালে সরকারের প্রচার বিভাগে |
| গান | গীতিকার ও সুরকার; আব্বাসউদ্দীনের কণ্ঠে তাঁর অনেক গান জনপ্রিয় |
রচনা
| রচনা | ধরন |
|---|---|
| কবর | কবিতা; ছাত্রজীবনে লেখা |
| রাখালী | কাব্যগ্রন্থ |
| নকশী কাঁথার মাঠ | কাহিনিকাব্য; রুপা ও সাজুর প্রেম |
| সোজন বাদিয়ার ঘাট | কাহিনিকাব্য |
| বালুচর | কাব্যগ্রন্থ |
| বেদের মেয়ে | নাটক |
| বাঙালির হাসির গল্প | গল্প সংকলন |
কৌশল: “কাঁথা আর ঘাট”: নকশী কাঁথার মাঠ আর সোজন বাদিয়ার ঘাট, জসীমউদ্দীনের দুই বিখ্যাত কাহিনিকাব্য।
পরীক্ষার ফাঁদ
- “কবর” কবিতাকে রবীন্দ্রনাথের ভাবা। এটা জসীমউদ্দীনের।
- “বেদের মেয়ে”-কে কাব্যগ্রন্থ ভাবা। এটা নাটক।
- জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান কুমিল্লা লেখা। জন্ম ফরিদপুরের তাম্বুলখানায়।