জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ: নীল হেলমেটের গল্প

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

১৯৮৮ সাল। ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতি দেখভালের জন্য জাতিসংঘের ডাকে বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন সামরিক পর্যবেক্ষক গেলেন মধ্যপ্রাচ্যে। সেই শুরু। আজ জাতিসংঘের নীল হেলমেট পরা শান্তিরক্ষীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বড় দলগুলোর একটি।

এক নজরে

বিষয়তথ্য
প্রথম অংশগ্রহণ১৯৮৮; ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দল (UNIIMOG)
এ পর্যন্ত মোট৪৫টি মিশনে ৮৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি (২০২৫ পর্যন্ত)
জীবন উৎসর্গ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী নিহত, অন্তত ২৫৭ জন আহত (২০২৫ পর্যন্ত)
অবস্থান২০২৪ সালে সবচেয়ে বেশি সেনা পাঠানো দেশ; ২০২৫-এও শীর্ষ অবদানকারীদের মধ্যে
নারী শান্তিরক্ষী১,৭০০-র বেশি নারী এ পর্যন্ত মিশনে গেছেন

কিছু স্মরণীয় অধ্যায়

  • হাইতিতে ২০১৫ থেকে অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত ১৬০ জনের সম্পূর্ণ নারী পুলিশ ইউনিট দায়িত্ব পালন করে।
  • ২০১৭ সালে কঙ্গোর মিশনে (MONUSCO) বাংলাদেশের দুই নারী যুদ্ধবিমান পাইলট, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাঈমা হক ও তামান্না-ই-লুৎফি দায়িত্ব পালন করেন।
  • বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা হাইতি, কঙ্গো, দক্ষিণ সুদান, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, দারফুরসহ বহু অঞ্চলে কাজ করেছেন।

কৌশল: “৮৮-তে শুরু, ইরান-ইরাকে প্রথম।” আর সংখ্যা মনে রাখুন গোল করে: ৪৫ মিশন, ৮৩ হাজার মানুষ।

পরীক্ষার ফাঁদ

  • বাংলাদেশের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন কুয়েত বা বসনিয়া লেখা। প্রথম ১৯৮৮, ইরান-ইরাক (UNIIMOG)।
  • সংখ্যাগুলোকে স্থির ভাবা। মিশনে মোট লোক আর অবস্থান (প্রথম/দ্বিতীয়) বছর বছর বদলায়; পরীক্ষার আগে সর্বশেষ তথ্য দেখে নিন।
  • সম্পূর্ণ নারী পুলিশ ইউনিট কঙ্গোতে ছিল লেখা। এটা ছিল হাইতিতে।

নিজেকে যাচাই করুন

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা: এই ভাগের সব পাঠ৪ / ৪
  1. পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি: NPT থেকে New START
  2. সামরিক জোট: একজনের ওপর হামলা মানে সবার ওপর
  3. রোহিঙ্গা সংকট: নাফ পেরিয়ে আসা মানুষ
  4. জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ: নীল হেলমেটের গল্প (এখন পড়ছেন)
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ভাগের পাতায় যান →