এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
বাংলাদেশের মাঠে বছরে তিনবার ধান ওঠে। শীতের শেষে সেচের জলে বোরো, বর্ষায় বৃষ্টির জলে আমন, আর গ্রীষ্মে আউশ। তিন মৌসুম মিলে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়, চীন আর ভারতের পরে।
ধানের তিন মৌসুম (২০২৪-২৫, বিবিএস)
| মৌসুম | কখন | উৎপাদন | বিশেষত্ব |
|---|---|---|---|
| বোরো | নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি রোপণ, এপ্রিল–জুন কাটা | ২.১৩ কোটি টন | উৎপাদনে সবচেয়ে বড়; সেচনির্ভর |
| আমন | বর্ষায় রোপণ, শীতের শুরুতে কাটা | ১.৬৪ কোটি টন | জমির পরিমাণে সবচেয়ে বড়; বৃষ্টিনির্ভর |
| আউশ | মার্চ–এপ্রিলে বোনা, গ্রীষ্মে কাটা | ২৭.৯৩ লাখ টন | সবচেয়ে ছোট মৌসুম |
২০২৪-২৫-এ মোট চাল উৎপাদন প্রায় ৪.০৬ কোটি টন। মোট আবাদি জমির প্রায় ৭৬% জুড়ে ধান, আর খাদ্যশস্যের ৯৭% চাল।
অন্যান্য প্রধান ফসল
- পাট: “সোনালি আঁশ”; বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল।
- গম, ভুট্টা: শীতকালীন খাদ্যশস্য।
- আলু: প্রধান সবজি ফসল।
- চা: সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়ি ঢালে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি): গাজীপুর; এর প্রথম জাত বিআর-১।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি): ধান ছাড়া অন্য ফসল।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট: পাটের জিনোম রহস্য উন্মোচনে বিখ্যাত।
কৌশল: “বোরো বড়, আমন চওড়া, আউশ ছোট”: উৎপাদনে বোরো বড়, জমিতে আমন চওড়া, আউশ ছোট। আর “চীন-ভারত-বাংলা” = ধানে প্রথম তিন।
আরও পড়ুন: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ · জিডিপি ও মাথাপিছু আয়
পরীক্ষার ফাঁদ
- আমনকে উৎপাদনে সবচেয়ে বড় লেখা। উৎপাদনে বোরো; আমন জমির পরিমাণে বড়।
- বোরো বৃষ্টিনির্ভর ভাবা। বোরো সেচনির্ভর; আমন বৃষ্টিনির্ভর।
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ দ্বিতীয় লেখা। তৃতীয় (চীন, ভারতের পরে)।
- ব্রি-র সদর দপ্তর ময়মনসিংহে লেখা। ব্রি গাজীপুরে; ময়মনসিংহে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
নিজেকে যাচাই করুন
কৃষি: এই ভাগের সব পাঠ
- কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান: এক ছড়ায় দেশ-ভ্রমণ
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ: মাছে-ভাতে বাঙালি
- প্রধান ফসল: বোরো, আমন, আউশের দেশ (এখন পড়ছেন)