জাতীয় সংসদ ও আইন প্রণয়ন: ৩০০ + ৫০

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

২০২৬ সালের ১২ মার্চ। শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনে বসল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। দেড় বছরের বেশি সময় পর আবার দেশের আইন তৈরির ঘরে ফিরলেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা।

জাতীয় সংসদ এক নজরে

বিষয়তথ্য
নামজাতীয় সংসদ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫)
মোট আসন৩৫০: ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত + ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন
মেয়াদপ্রথম বৈঠক থেকে ৫ বছর
বর্তমান সংসদত্রয়োদশ; প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ ২০২৬
স্পিকারমেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (১২ মার্চ ২০২৬ শপথ)
ডেপুটি স্পিকারব্যারিস্টার কায়সার কামাল
সংসদ নেতাপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিরোধীদলীয় নেতাডা. শফিকুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী)

একটা আইন কীভাবে তৈরি হয়

  • বিল উত্থাপন: মন্ত্রী আনলে সরকারি বিল, সাধারণ সদস্য আনলে বেসরকারি বিল।
  • কমিটিতে যাচাই: সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটি খুঁটিয়ে দেখে।
  • পাস: সংসদে ভোটে পাস।
  • রাষ্ট্রপতির সম্মতি: সম্মতি পেলে বিল আইনে পরিণত হয় (অনুচ্ছেদ ৮০)।
  • অর্থবিল কেবল রাষ্ট্রপতির সুপারিশে সংসদে আনা যায়।

সংসদ ভবন

জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি মার্কিন স্থপতি লুই আই. কান; ভবনটি শেরেবাংলা নগরে।

কৌশল: “৬৫-তে সংসদ, ৩০০ + ৫০”। আর আইনের পথ মনে রাখুন “উ-ক-পা-স”: উত্থাপন, কমিটি, পাস, সম্মতি।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা · নির্বাচন কমিশন · জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭

পরীক্ষার ফাঁদ

  • সংসদের আসন ৩০০ লেখা। মোট ৩৫০; ৩০০ সরাসরি নির্বাচিত।
  • বিল পাস হলেই আইন ভাবা। রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাগে।
  • সংসদের মেয়াদ নির্বাচনের দিন থেকে ৫ বছর ভাবা। গোনা হয় প্রথম বৈঠকের দিন থেকে।
  • সংসদ ভবনের স্থপতি মাজহারুল ইসলাম লেখা। স্থপতি লুই আই. কান।

দ্রষ্টব্য: জুলাই সনদের সংস্কার বাস্তবায়িত হলে (যেমন দ্বিকক্ষ সংসদ) এই পাঠ হালনাগাদ করা হবে।

নিজেকে যাচাই করুন

সরকার ও প্রশাসন: এই ভাগের সব পাঠ৩ / ৭
  1. স্থানীয় সরকার: মানুষের সবচেয়ে কাছের সরকার
  2. প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলা: ৮-৬৪-৫০০
  3. জাতীয় সংসদ ও আইন প্রণয়ন: ৩০০ + ৫০ (এখন পড়ছেন)
  4. রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা: ২৩তম রাষ্ট্রপতির গল্প
  5. নির্বাচন কমিশন: অনুচ্ছেদ ১১৮-এর প্রহরী
  6. বিচার বিভাগ: এক কোর্ট, দুই বিভাগ
  7. সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রের রেফারিরা
সরকার ও প্রশাসন ভাগের পাতায় যান →