বিচার বিভাগ: এক কোর্ট, দুই বিভাগ

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ নিলেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি। আগের দিন অবসরে যান ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। চলুন দেখি, যে আদালতের শীর্ষে তিনি বসলেন সেটা কীভাবে সাজানো।

বিচার বিভাগের কাঠামো

স্তরবিবরণ
সুপ্রিম কোর্টদেশের সর্বোচ্চ আদালত; দুটি বিভাগ: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ
আপিল বিভাগহাইকোর্ট বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শোনে; প্রধান বিচারপতি এখানে বসেন
হাইকোর্ট বিভাগমৌলিক অধিকার বলবৎ করে (রিট), নিম্ন আদালতের আপিল শোনে
অধস্তন আদালতজেলা জজ আদালত, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ইত্যাদি

কিছু জরুরি তথ্য

  • প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি; শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি (প্রধান বিচারপতিকে)।
  • বিচারপতিরা ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত পদে থাকেন।
  • মাসদার হোসেন মামলা: ১৯৯৯ সালে হাইকোর্ট রায় দেয়, পরে আপিল বিভাগ বহাল রাখে; রায়ে বিচার বিভাগ পৃথককরণে ১২ দফা নির্দেশনা।
  • ১ নভেম্বর ২০০৭: নিম্ন আদালত নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকভাবে কাজ শুরু করে।

বর্তমান দায়িত্বে

পদনাম
প্রধান বিচারপতি (২৬তম)বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (শপথ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫)
অ্যাটর্নি জেনারেল (১৮তম)ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল (ফেব্রুয়ারি ২০২৬)

কৌশল: “এক কোর্ট, দুই বিভাগ”: সুপ্রিম কোর্ট = আপিল + হাইকোর্ট। আর “৯৯-এ মাসদার, ০৭-এ পৃথক”। নতুন তথ্য: “২৬তম জুবায়ের”।

আরও পড়ুন: সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান · রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা · জাতীয় সংসদ

পরীক্ষার ফাঁদ

  • হাইকোর্ট আর সুপ্রিম কোর্টকে আলাদা আদালত ভাবা। হাইকোর্ট বিভাগ সুপ্রিম কোর্টেরই একটি বিভাগ।
  • বিচার বিভাগ পৃথককরণ ১৯৯৯ সালে লেখা। ১৯৯৯ মাসদার হোসেন মামলার রায়; পৃথকভাবে কাজ শুরু ১ নভেম্বর ২০০৭।
  • রিট আপিল বিভাগে করা হয় লেখা। মৌলিক অধিকারের রিট হাইকোর্ট বিভাগে।
  • অ্যাটর্নি জেনারেল বিচারক ভাবা। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা (আইনজীবী), বিচারক নন।

দ্রষ্টব্য: জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন হলে এই পাঠ হালনাগাদ করা হবে।

নিজেকে যাচাই করুন

সরকার ও প্রশাসন: এই ভাগের সব পাঠ৬ / ৭
  1. স্থানীয় সরকার: মানুষের সবচেয়ে কাছের সরকার
  2. প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলা: ৮-৬৪-৫০০
  3. জাতীয় সংসদ ও আইন প্রণয়ন: ৩০০ + ৫০
  4. রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা: ২৩তম রাষ্ট্রপতির গল্প
  5. নির্বাচন কমিশন: অনুচ্ছেদ ১১৮-এর প্রহরী
  6. বিচার বিভাগ: এক কোর্ট, দুই বিভাগ (এখন পড়ছেন)
  7. সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রের রেফারিরা
সরকার ও প্রশাসন ভাগের পাতায় যান →