এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
১৯৪০-এর দশকের কম্পিউটার ছিল একটা ঘরের সমান, ভেতরে হাজার হাজার গরম কাচের ভ্যাকুয়াম টিউব। ১৯৪৭ সালে ছোট্ট একটা যন্ত্র সেই টিউবের জায়গা নিল: ট্রানজিস্টর। সেখান থেকেই শুরু আজকের মোবাইল-ল্যাপটপের যুগ।
অর্ধপরিবাহী (Semiconductor)
যেসব পদার্থ পরিবাহী (তামা) আর অপরিবাহীর (কাচ) মাঝামাঝি, সেগুলোই অর্ধপরিবাহী। সবচেয়ে পরিচিত দুটো: সিলিকন (Si) আর জার্মেনিয়াম (Ge)। খুব অল্প ভেজাল মিশিয়ে (ডোপিং) এদের পরিবাহিতা বাড়ানো হয়।
| ধরন | কী মেশানো হয় | বাহক |
|---|---|---|
| n-টাইপ | ফসফরাস বা আর্সেনিক (৫ যোজ্যতার) | বাড়তি ইলেকট্রন (ঋণাত্মক) |
| p-টাইপ | বোরন (৩ যোজ্যতার) | হোল বা ফাঁকা জায়গা (ধনাত্মক) |
কৌশল: n = negative = ইলেকট্রন বেশি; p = positive = হোল বেশি।
তিন প্রধান যন্ত্র
| যন্ত্র | কী করে | তথ্য |
|---|---|---|
| ডায়োড (p-n জাংশন) | বিদ্যুৎ এক দিকেই যেতে দেয় | AC-কে DC করতে (রেক্টিফায়ার) ব্যবহৃত হয়; LED-ও এক ধরনের ডায়োড |
| ট্রানজিস্টর | সংকেত বিবর্ধন (amplify) ও সুইচের কাজ | ১৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭, বেল ল্যাবস; উদ্ভাবক বার্ডিন, ব্র্যাটেইন ও শকলি; ১৯৫৬ সালে পদার্থে নোবেল |
| ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) | একটা চিপে অনেক ট্রানজিস্টর | প্রথম IC তৈরি করেন জ্যাক কিলবি, ১৯৫৮ |
মুরের সূত্র
গর্ডন মুর ১৯৬৫ সালে বলেছিলেন, চিপে ট্রানজিস্টরের সংখ্যা প্রতি বছর দ্বিগুণ হবে; ১৯৭৫ সালে তিনি সময়টা সংশোধন করে প্রতি দুই বছর বলেন।
পরীক্ষার ফাঁদ
- ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবক একজন ভাবা। তিনজন: বার্ডিন, ব্র্যাটেইন, শকলি।
- IC-র উদ্ভাবক হিসেবে শকলির নাম লেখা। প্রথম IC কিলবির (১৯৫৮)।
- n-টাইপে হোল বেশি ভাবা। n-টাইপে ইলেকট্রন, p-টাইপে হোল।
- ডায়োডকে বিবর্ধক ভাবা। বিবর্ধন ট্রানজিস্টরের কাজ; ডায়োড একমুখী প্রবাহ দেয়।