এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
রাঙামাটির পাহাড়ে চাকমা পরিবারের জুম চাষ, মধুপুরের গড়ে গারোদের ওয়ানগালা উৎসব, রাজশাহী-দিনাজপুরে সাঁওতালদের সোহরাই। বাংলাদেশ শুধু বাঙালির দেশ নয়; এখানে রয়েছে নিজস্ব ভাষা, পোশাক আর উৎসবের অনেক জাতিগোষ্ঠী।
এক নজরে (জনশুমারি ২০২২)
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| গেজেটভুক্ত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ৫০টি |
| মোট জনসংখ্যা | প্রায় ১৬.৫ লাখ (দেশের জনসংখ্যার প্রায় ১%) |
| সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী | চাকমা: প্রায় ৪.৮৩ লাখ (২৯%) |
| দ্বিতীয় | মারমা: প্রায় ২.২৪ লাখ |
| তৃতীয় | ত্রিপুরা: প্রায় ১.৫৭ লাখ |
| চতুর্থ | সাঁওতাল: প্রায় ১.২৯ লাখ |
কে কোথায়
| অঞ্চল | প্রধান জাতিগোষ্ঠী |
|---|---|
| পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) | চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, তঞ্চঙ্গ্যা |
| বৃহত্তর ময়মনসিংহ (মধুপুর, হালুয়াঘাট) | গারো, হাজং |
| সিলেট | মণিপুরী, খাসিয়া |
| উত্তরবঙ্গ (রাজশাহী, দিনাজপুর) | সাঁওতাল, ওঁরাও |
| পটুয়াখালী, কক্সবাজার | রাখাইন |
উৎসব
- বৈসাবি: পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্ষবরণ; ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই, চাকমাদের বিজু, তিনের আদ্যক্ষর মিলে নাম।
- ওয়ানগালা: গারোদের নবান্ন উৎসব।
- সোহরাই: সাঁওতালদের প্রধান উৎসব।
কৌশল: “চা-মা-ত্রি-সাঁ”: চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, সংখ্যায় বড় থেকে ছোট। আর “বৈ-সা-বি” = বৈসু (ত্রিপুরা) + সাংগ্রাই (মারমা) + বিজু (চাকমা)।
আরও পড়ুন: জনশুমারি ২০২২: প্রথম ডিজিটাল গণনা · বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি: পাহাড়, সোপান আর সমভূমি
পরীক্ষার ফাঁদ
- সাঁওতালদের দ্বিতীয় বৃহত্তম লেখা। ২০২২ জনশুমারিতে ক্রম: চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তারপর সাঁওতাল।
- বৈসাবির “বি” মারমাদের ভাবা। “বি” = বিজু (চাকমা); মারমাদের সাংগ্রাই (“সা”)।
- ওয়ানগালা চাকমাদের উৎসব। এটা গারোদের।
- গেজেটভুক্ত গোষ্ঠী ২৭টি লেখা। এখন গেজেটভুক্ত ৫০টি।
নিজেকে যাচাই করুন
জনসংখ্যা ও নৃগোষ্ঠী: এই ভাগের সব পাঠ
- জনশুমারি ২০২২: প্রথম ডিজিটাল গণনা
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: পাহাড় থেকে সমতল (এখন পড়ছেন)