সোশ্যাল মিডিয়া: ডর্মরুম থেকে দুনিয়া

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

২০০৪ সালে হার্ভার্ডের এক ছাত্রের ডর্মরুমে চালু হলো একটা ছোট্ট ওয়েবসাইট, শুধু সহপাঠীদের চেনার জন্য। নাম ছিল “Thefacebook”। আজ সেটা পৃথিবীর অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান। সোশ্যাল মিডিয়ার গল্প এমনই দ্রুত।

কোনটা কবে, কার হাতে

প্ল্যাটফর্মচালুপ্রতিষ্ঠাতা / তথ্য
SixDegrees১৯৯৭প্রথম দিকের সামাজিক যোগাযোগ সাইট
LinkedIn২০০৩পেশাজীবীদের নেটওয়ার্ক
Facebook৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪মার্ক জাকারবার্গ (হার্ভার্ডের ছাত্র); শুরুতে নাম Thefacebook
YouTube২০০৫চ্যাড হার্লি, স্টিভ চেন, জাভেদ করিম; প্রথম ভিডিও “Me at the zoo” (২৩ এপ্রিল ২০০৫)
Twitter (এখন X)২০০৬জ্যাক ডরসি, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস, নোয়াহ গ্লাস; প্রথম টুইট ২১ মার্চ ২০০৬
Instagram২০১০কেভিন সিস্ট্রম ও মাইক ক্রিগার
Snapchat২০১১—
Telegram২০১৩—

কৌশল: “ফে-ইউ-টু-ইন: ০৪-০৫-০৬-১০।” Facebook, YouTube, Twitter পরপর তিন বছর; তারপর চার বছরের বিরতিতে Instagram।

বাংলাদেশি নাম

YouTube-এর তিন প্রতিষ্ঠাতার একজন জাভেদ করিম, যাঁর বাবা বাংলাদেশি। YouTube-এর প্রথম ভিডিওটাও তাঁরই আপলোড করা।

সুবিধা ও ঝুঁকি

  • সুবিধা: দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান, ব্যবসা ও শিক্ষার সুযোগ, দূরের মানুষের সাথে যোগাযোগ।
  • ঝুঁকি: গুজব ও ভুয়া খবর, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, সাইবার বুলিং, আসক্তি।

পরীক্ষার ফাঁদ

  • Facebook ২০০৬ সালে চালু লেখা। চালু ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪; ২০০৬ হলো Twitter।
  • YouTube-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জাকারবার্গের নাম লেখা। YouTube হার্লি, চেন ও করিমের।
  • Instagram-কে Twitter-এর আগের ভাবা। Instagram ২০১০।

নিজেকে যাচাই করুন