এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
১৯০৯ সাল। বাঁকুড়ার এক গ্রামের এক গৃহস্থবাড়ির গোয়ালঘরে পড়ে ছিল পুরোনো একটা পুঁথি। পুঁথি-সন্ধানী বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ সেটা খুঁজে পেলেন, আর বাংলা সাহিত্য পেল মধ্যযুগের প্রথম কাব্যের নিদর্শন: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| রচয়িতা | বড়ু চণ্ডীদাস |
| আবিষ্কারক | বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ |
| আবিষ্কার | ১৯০৯; কাঁকিল্যা গ্রাম, বাঁকুড়া (পশ্চিমবঙ্গ), এক গৃহস্থের গোয়ালঘর |
| প্রকাশ | ১৯১৬, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ |
| পুঁথিতে পাওয়া নাম | শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ |
| খণ্ড | ১৩টি |
| চরিত্র | কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই |
| বিষয় | রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি |
মনে রাখার কৌশল: চর্যাপদের সাথে মিলিয়ে নিন। চর্যাপদ পাওয়া ১৯০৭, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১৯০৯; দুটোই ছাপা ১৯১৬ সালে, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।
তেরো খণ্ড
জন্ম, তাম্বুল, দান, নৌকা, ভার, ছত্র, বৃন্দাবন, কালিয়দমন, বস্ত্রহরণ, হার, বাণ, বংশী আর বিরহ (রাধাবিরহ)।
প্রথম খণ্ড “জন্ম”, শেষ খণ্ড “বিরহ”।
তিন চরিত্র
- কৃষ্ণ: নায়ক।
- রাধা: নায়িকা।
- বড়াই: তৃতীয় প্রধান চরিত্র।
পরীক্ষার ফাঁদ
- আবিষ্কারক হিসেবে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী লেখা। তিনি চর্যাপদের আবিষ্কারক; শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের বসন্তরঞ্জন রায়।
- আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ লেখা। ১৯০৭ চর্যাপদ; শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ১৯০৯।
- চরিত্র তিনটির জায়গায় চারটি খোঁজা। মূল চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা, বড়াই।
- নেপাল ভাবা। চর্যাপদ নেপালে, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাঁকুড়ায়।