এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
সূচক মানে একটা সংখ্যাকে কতবার নিজের সাথে গুণ করা হচ্ছে। ২³ = ২ × ২ × ২ = ৮। সূচকের অঙ্ক কঠিন লাগে কয়েকটা নিয়মের কারণে, কিন্তু সব নিয়ম আসে একটা সহজ যুক্তি থেকে।
ছয়টি নিয়ম
| নিয়ম | উদাহরণ |
|---|---|
| aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ (গুণে ঘাত যোগ) | ২³ × ২⁴ = ২⁷ = ১২৮ |
| aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ (ভাগে ঘাত বিয়োগ) | ২⁵ ÷ ২² = ২³ = ৮ |
| (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ (ঘাতের ঘাতে গুণ) | (২³)² = ২⁶ = ৬৪ |
| a⁰ = ১ | ৫⁰ = ১ |
| a⁻ⁿ = ১ ÷ aⁿ | ৪⁻¹ = ১/৪; (১/২)⁻³ = ৮ |
| a^(১/n) = n-তম মূল | ২৭^(১/৩) = ৩ |
মনে রাখার লাইন: গুণে যোগ, ভাগে বিয়োগ, ঘাতে গুণ।
কেন a⁰ = ১?
২³ ÷ ২³ = ১, কারণ যেকোনো সংখ্যাকে নিজেকে দিয়ে ভাগ করলে ১। আবার ভাগের নিয়মে ২³ ÷ ২³ = ২⁰। তাই ২⁰ = ১। এভাবে যুক্তি দিয়ে বুঝলে নিয়ম আর মুখস্থ করতে হয় না।
ভগ্নাংশ ঘাত
a^(m/n) মানে আগে n-তম মূল, তারপর m ঘাত। ৮^(২/৩): ৮-এর ঘনমূল ২, তারপর ২² = ৪। ৯^(৩/২): ৯-এর বর্গমূল ৩, তারপর ৩³ = ২৭।
সূচকের সমীকরণ
ভিত্তি সমান করুন, তারপর ঘাত সমান ধরুন।
- ২ˣ = ৩২ → ২ˣ = ২⁵ → x = ৫
- ৩ˣ⁺¹ = ৮১ → ৩ˣ⁺¹ = ৩⁴ → x + ১ = ৪ → x = ৩
এর জন্য কিছু ঘাত মুখস্থ রাখলে কাজ দ্রুত হয়: ২¹⁰ = ১০২৪, ৩⁴ = ৮১, ৫³ = ১২৫।
পরীক্ষার ফাঁদ
- ২³ × ২⁴ কে ২¹² লেখা। গুণে ঘাত যোগ হয়, গুণ নয়।
- a⁰ কে ০ ধরা। a⁰ = ১ (a শূন্য না হলে)।
- ঋণাত্মক ঘাতকে ঋণাত্মক সংখ্যা ভাবা। ৪⁻¹ মানে ১/৪, −৪ নয়।
- (২³)² আর ২^(৩²) আলাদা: প্রথমটা ২⁶ = ৬৪, দ্বিতীয়টা ২⁹ = ৫১২।