এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
আগে ছবি রাখতে হলে নিজের ফোনের মেমোরি লাগত। এখন ছবি তুলেই চলে যায় “ক্লাউডে”, অর্থাৎ অন্য কারো বিশাল কম্পিউটারে, আর আপনি যেকোনো ফোন থেকে দেখতে পান। ক্লাউড, এআই আর আইওটি: আজকের প্রযুক্তির তিন বড় শব্দ।
ক্লাউড কম্পিউটিং
ইন্টারনেটের মাধ্যমে চাহিদামতো কম্পিউটারের শক্তি, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার ভাড়া নেওয়া। যুক্তরাষ্ট্রের NIST এর একটা প্রচলিত সংজ্ঞা দিয়েছে, যেখানে আছে ৩টি সেবা মডেল আর ৪টি স্থাপন মডেল।
| সেবা মডেল | কী পাওয়া যায় | সহজ উদাহরণ |
|---|---|---|
| SaaS (Software as a Service) | তৈরি সফটওয়্যার, ব্রাউজারে ব্যবহার | অনলাইন ইমেইল, অনলাইন ডকুমেন্ট |
| PaaS (Platform as a Service) | অ্যাপ বানানো ও চালানোর প্ল্যাটফর্ম | ডেভেলপারদের অ্যাপ হোস্টিং সেবা |
| IaaS (Infrastructure as a Service) | ভার্চুয়াল সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক | ভাড়ার ভার্চুয়াল সার্ভার |
স্থাপন মডেল ৪টি: পাবলিক, প্রাইভেট, কমিউনিটি ও হাইব্রিড ক্লাউড।
কৌশল: নিচ থেকে ওপরে “I-P-S”: Infrastructure (মাটি) → Platform (দালান) → Software (সাজানো ফ্ল্যাট)। SaaS-এ আপনি শুধু ঢুকে থাকেন, কিছুই বানাতে হয় না।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
যন্ত্রকে মানুষের মতো শেখা, বোঝা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার বিজ্ঞান। “Artificial Intelligence” শব্দটা তৈরি করেন জন ম্যাকার্থি। ২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫ সালে ম্যাকার্থি, মারভিন মিনস্কি, নাথানিয়েল রচেস্টার ও ক্লড শ্যানন একটা প্রস্তাব জমা দেন, যার ভিত্তিতে ১৯৫৬ সালের গ্রীষ্মে ডার্টমাউথ কলেজে কর্মশালা হয়। এটাকেই AI গবেষণার সূচনা ধরা হয়।
ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)
শুধু কম্পিউটার-ফোন নয়, ফ্রিজ, বাতি, গাড়ি, কারখানার যন্ত্রাংশ সবকিছু ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে নিজেরা তথ্য আদান-প্রদান করবে। শব্দটা প্রথম ব্যবহার করেন কেভিন অ্যাশটন, ১৯৯৯ সালে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বলে (P&G) এক উপস্থাপনায়। ধারণাটা এসেছিল বারকোডের বদলে RFID ট্যাগ ব্যবহারের গবেষণা থেকে।
পরীক্ষার ফাঁদ
- SaaS আর IaaS উল্টে ফেলা। তৈরি সফটওয়্যার = SaaS; ভার্চুয়াল সার্ভার = IaaS।
- ক্লাউডের স্থাপন মডেল ৩টি লেখা। স্থাপন মডেল ৪টি, সেবা মডেল ৩টি।
- IoT শব্দের জনক হিসেবে ম্যাকার্থির নাম লেখা। ম্যাকার্থি AI; IoT কেভিন অ্যাশটন।
- ডার্টমাউথ কর্মশালার সাল ১৯৫৫ লেখা। প্রস্তাব ১৯৫৫, কর্মশালা ১৯৫৬।
নিজেকে যাচাই করুন
তথ্যপ্রযুক্তি: এই ভাগের সব পাঠ
- নেটওয়ার্ক টপোলজি: কম্পিউটার জোড়ার নকশা
- ইন্টারনেট ও প্রোটোকল: “lo” দিয়ে শুরু
- ভাইরাস ও নিরাপত্তা: বাহন, হাঁটা আর ছদ্মবেশ
- মোবাইল প্রযুক্তি: ইটের ফোন থেকে 5G
- ক্লাউড, এআই ও আইওটি: আজকের তিন বড় শব্দ (এখন পড়ছেন)
- ই-কমার্স: B2C, C2C আর বাকিরা
- সোশ্যাল মিডিয়া: ডর্মরুম থেকে দুনিয়া
- রোবটিক্স: একটা নাটকের শব্দ
- সাইবার অপরাধ ও আইন: বড়শিতে গাঁথা পাসওয়ার্ড