এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
একটা অফিসে দশটা কম্পিউটারকে জোড়া লাগাতে হবে। তার কীভাবে টানবেন: সবাইকে একটা লম্বা তারে? এক কেন্দ্র থেকে তারার মতো? নাকি গোল করে? এই সাজানোর নকশাকেই বলে নেটওয়ার্ক টপোলজি।
পাঁচ টপোলজি এক ছকে
| টপোলজি | কীভাবে সাজানো | সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|---|---|
| বাস (Bus) | একটা মূল তারে (backbone) সবাই যুক্ত | সহজ ও সস্তা | মূল তার কাটলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ |
| স্টার (Star) | সবাই একটা কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচে যুক্ত | বসানো সহজ; একটা তার নষ্ট হলে শুধু সেই কম্পিউটার বিচ্ছিন্ন | হাব নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ |
| রিং (Ring) | প্রত্যেকে দুই পাশের দুজনের সাথে, গোল হয়ে | বসানো ও বদলানো তুলনামূলক সহজ | একটা জায়গায় ভাঙলে পুরো রিং অচল হতে পারে |
| মেশ (Mesh) | প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে সরাসরি যুক্ত | একটা লিংক নষ্ট হলেও বাকিরা চলে; নিরাপদ | তার ও পোর্ট বেশি লাগে, খরচ বেশি |
| হাইব্রিড | দুই বা ততোধিক টপোলজির মিশ্রণ | প্রয়োজনমতো সাজানো যায় | নকশা জটিল |
মেশের হিসাব
nটি ডিভাইসের মেশে মোট লিংক = n(n − ১) ÷ ২, আর প্রতিটি ডিভাইসে পোর্ট লাগে n − ১টি।
- ৫টি ডিভাইস: ৫ × ৪ ÷ ২ = ১০টি লিংক, প্রতিটিতে ৪টি পোর্ট।
- ৬টি ডিভাইস: ৬ × ৫ ÷ ২ = ১৫টি লিংক।
- ১০টি ডিভাইস: ১০ × ৯ ÷ ২ = ৪৫টি লিংক।
কোনটা কীসের জন্য বিখ্যাত
- বাস: “এক তারের লাইন”, যেন এক রাস্তায় সব বাড়ি।
- স্টার: সবচেয়ে প্রচলিত; বাসা-অফিসের ওয়াই-ফাই রাউটার কেন্দ্র হয়ে এভাবেই কাজ করে।
- রিং: ডেটা একদিকে ঘোরে; প্রতিটি ডিভাইস সংকেতকে নতুন করে শক্তিশালী করে পরের জনকে দেয়।
- মেশ: সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, সবচেয়ে ব্যয়বহুল।
পরীক্ষার ফাঁদ
- মেশে লিংক n(n − ১) লেখা, ২ দিয়ে ভাগ না করা।
- স্টারে একটা কম্পিউটার নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ ভাবা। বন্ধ হয় শুধু হাব নষ্ট হলে।
- বাস আর রিং গুলিয়ে ফেলা: বাসে খোলা দুই প্রান্ত, রিংয়ে গোল।