জাতীয় প্রতীক: পতাকা, সংগীত, শাপলা আর দোয়েল

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে প্রথম ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলার পতাকা। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হলো। একটা দেশকে চেনার এমন চিহ্নগুলোই জাতীয় প্রতীক।

জাতীয় পতাকা, সংগীত, রণসংগীত

প্রতীকতথ্য
জাতীয় পতাকাগৃহীত ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২; সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত, বৃত্ত একটু দণ্ডের দিকে সরানো, যাতে উড়লে মাঝখানে দেখায়
জাতীয় সংগীত“আমার সোনার বাংলা”, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর; প্রথম ১০ লাইন; গৃহীত ১৯৭২
রণসংগীত“চল্ চল্ চল্” (নতুনের গান), কাজী নজরুল ইসলাম (রচনা ১৯২৯); গৃহীত ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২; প্রথম ২১ লাইন

জাতীয় প্রতীক (মনোগ্রাম)

  • মাঝখানে পানিতে ভাসমান শাপলা: নদীমাতৃক দেশ।
  • দুই পাশে ধানের শীষ: কৃষি ও প্রধান খাদ্য।
  • ওপরে তিনটি যুক্ত পাটপাতা।
  • পাটপাতার দুই পাশে চারটি তারা: সংবিধানের চার মূলনীতি।

আরও জাতীয় প্রতীক

বিষয়প্রতীক
ফুলশাপলা
ফলকাঁঠাল
গাছআমগাছ
পাখিদোয়েল
পশুরয়েল বেঙ্গল টাইগার
মাছইলিশ
খেলাকাবাডি (হা-ডু-ডু)
মসজিদবায়তুল মোকাররম

কৌশল: “১৩-তে রণ, ১৭-তে পতাকা” (জানুয়ারি ১৯৭২)। আর সংখ্যা: “সংগীতে ১০, রণসংগীতে ২১” লাইন। প্রতীকে “শাপলা-ধান-পাট-৪ তারা”।

আরও পড়ুন: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ · খেলাধুলা · রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পরীক্ষার ফাঁদ

  • জাতীয় সংগীতের পুরো গান গাওয়া হয় ভাবা। প্রথম ১০ লাইন; বাজানো হয় যন্ত্রে, গাওয়াও হয়।
  • রণসংগীত “কারার ঐ লৌহকপাট” লেখা। রণসংগীত “চল্ চল্ চল্”।
  • জাতীয় প্রতীকে তারা তিনটি লেখা। তারা চারটি; পাটপাতা তিনটি।
  • জাতীয় ফল আম লেখা। জাতীয় ফল কাঁঠাল; আমগাছ জাতীয় গাছ।

নিজেকে যাচাই করুন

জাতীয় অর্জন ও সংস্কৃতি: এই ভাগের সব পাঠ৪ / ৪
  1. ইউনেস্কোর স্বীকৃতি: সুন্দরবন থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি
  2. মেগা প্রকল্প: পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেল
  3. খেলাধুলা: আইসিসি ট্রফি থেকে টেস্ট স্ট্যাটাস
  4. জাতীয় প্রতীক: পতাকা, সংগীত, শাপলা আর দোয়েল (এখন পড়ছেন)
জাতীয় অর্জন ও সংস্কৃতি ভাগের পাতায় যান →