বাংলাদেশের অবস্থান ও সীমানা: সংখ্যাগুলো ছন্দে

এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।

বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে প্রশ্নগুলো সংখ্যায় ভরা: অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, আয়তন, সমুদ্রসীমা। আজ সংখ্যাগুলো ছন্দে বাঁধব, আর যেখানে বিভিন্ন বইয়ে আলাদা সংখ্যা আছে, সেটাও পরিষ্কার করব।

অক্ষাংশ আর দ্রাঘিমাংশ

থেকেপর্যন্ত
অক্ষাংশ (উত্তর)২০°৩৪′২৬°৩৮′
দ্রাঘিমাংশ (পূর্ব)৮৮°০১′৯২°৪১′

মনে রাখার লাইন: বিশ থেকে ছাব্বিশ উত্তরে, আটাশি থেকে বিরানব্বই পূর্বে।

কর্কটক্রান্তি রেখা দেশের মাঝ বরাবর চলে গেছে, তাই বাংলাদেশের এক অংশ এর উত্তরে আর এক অংশ দক্ষিণে।

চার দিকে কারা

ভারত তিন দিকে, মিয়ানমার এক কোণে, সাগর নিচে।

  • পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব: ভারত। পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ; উত্তরে আসাম ও মেঘালয়; পূর্বে ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
  • দক্ষিণ-পূর্ব কোণ: মিয়ানমার।
  • দক্ষিণ: বঙ্গোপসাগর।

স্থলসীমান্তের প্রায় ৯৪% ভারতের সাথে, আর বাকি প্রায় ৬% মিয়ানমারের সাথে। উপকূলের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৮০ কিমি।

সমুদ্রসীমা

অঞ্চলদূরত্ব (ভিত্তিরেখা থেকে)
রাজনৈতিক বা আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা১২ নটিক্যাল মাইল
একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল২০০ নটিক্যাল মাইল

আয়তন: দুটো সংখ্যা কেন?

বাংলাদেশের আয়তন নিয়ে বইয়ে দুটো সংখ্যা পাবেন:

  • ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিমি: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ডেটা শিটে ব্যবহৃত সংখ্যা।
  • ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিমি: সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকসহ কিছু আন্তর্জাতিক উৎসে ব্যবহৃত সংখ্যা, যেখানে স্থল আর জলভাগ আলাদা করে দেখানো হয়।

পরীক্ষায় দুটোর মধ্যে একটাই সাধারণত বিকল্পে থাকে। দুটোই থাকলে প্রশ্নে উৎসের উল্লেখ দেখুন।

পরীক্ষার ফাঁদ

  • অক্ষাংশ বনাম দ্রাঘিমাংশ: অক্ষাংশ ছোট সংখ্যা (২০-২৬), দ্রাঘিমাংশ বড় (৮৮-৯২)। উল্টে ফেলবেন না।
  • ১২ বনাম ২০০: রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২, অর্থনৈতিক অঞ্চল ২০০ নটিক্যাল মাইল।
  • মিয়ানমার পূর্বে, তবে শুধু দক্ষিণ-পূর্ব অংশে। পূর্ব সীমান্তের বেশিরভাগ ভারতের সাথে।

নিজেকে যাচাই করুন

তথ্যের উৎস