এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
একটা বইয়ের মূল অধ্যায়ের পরে থাকে পরিশিষ্ট: দরকারি দলিল, তালিকা, নমুনা। বাংলাদেশের সংবিধানেও ১৫৩টি অনুচ্ছেদের পরে আছে এমন পরিশিষ্ট, নাম তফসিল। বর্তমানে তফসিল ৭টি।
সাতটি তফসিল
| তফসিল | বিষয় |
|---|---|
| প্রথম | অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন |
| দ্বিতীয় | রাষ্ট্রপতি নির্বাচন |
| তৃতীয় | শপথ ও ঘোষণা |
| চতুর্থ | ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি |
| পঞ্চম | ৭ মার্চ ১৯৭১-এর ঐতিহাসিক ভাষণ |
| ষষ্ঠ | স্বাধীনতার ঘোষণা (২৬ মার্চ ১৯৭১) |
| সপ্তম | স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence, ১০ এপ্রিল ১৯৭১) |
পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল যোগ হয় পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১)। তার আগে তফসিল ছিল ৪টি।
কৌশল: “আইন-ভোট-শপথ-ক্রান্তি, তারপর ভাষণ-ঘোষণা-ঘোষণাপত্র”। প্রথম চারটি আইনি, শেষ তিনটি ইতিহাসের দলিল।
আরও পড়ুন: সংবিধান সংশোধনী · সংবিধানের প্রস্তাবনা ও মূলনীতি · গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ
পরীক্ষার ফাঁদ
- সংবিধানে তফসিল ৪টি লেখা। পঞ্চদশ সংশোধনীর পর ৭টি।
- শপথের বিবরণ দ্বিতীয় তফসিলে লেখা। দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন; শপথ তৃতীয় তফসিলে।
- ষষ্ঠ আর সপ্তম তফসিল এক ভাবা। ষষ্ঠ: স্বাধীনতার ঘোষণা (২৬ মার্চ); সপ্তম: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (মুজিবনগর সরকারের, ১০ এপ্রিল ১৯৭১)।
দ্রষ্টব্য: এখানে সংবিধানের ২০১৪ সালের পাঠ (পঞ্চদশ সংশোধনীর পরের) অনুসরণ করা হয়েছে। ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪-এর হাইকোর্ট রায়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অবৈধ ঘোষিত হয়েছে, আর জুলাই সনদ অনুযায়ী সংশোধন প্রক্রিয়াধীন; তাই কিছু অনুচ্ছেদ বদলাতে পারে।
নিজেকে যাচাই করুন
সংবিধান: এই ভাগের সব পাঠ
- সংবিধান প্রণয়ন: চার মাসের ক্যালেন্ডারে সব তারিখ
- সংবিধানের প্রস্তাবনা ও মূলনীতি: ৪ নভেম্বরের দলিল
- মৌলিক অধিকার: অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৪
- সংবিধান সংশোধনী: প্রথম থেকে সপ্তদশ, তারপর জুলাই সনদ
- সংবিধানের তফসিল: ১৫৩ অনুচ্ছেদের পরের ৭ পাতা (এখন পড়ছেন)
- গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ: বারবার আসা নম্বরগুলো