এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
পরিসংখ্যানের তিনটা মাপ একটা তথ্যসারির “মাঝখান” কোথায় সেটা বলে: গড়, মধ্যক আর প্রচুরক। তিনটার নামই কাছাকাছি, তাই সবাই গুলিয়ে ফেলে। আজ একটা দোকানের গল্পে তিনটাকে আলাদা করব।
গল্প: জুতার দোকানের তিন প্রশ্ন
একটা জুতার দোকানে এক সপ্তাহে বিক্রি হওয়া জুতার সাইজ: ২, ৩, ৩, ৫, ৭, ৩, ৫। দোকানদার তিনটা প্রশ্ন করছেন:
| প্রশ্ন | মাপ | কীভাবে | উত্তর |
|---|---|---|---|
| গড়ে কত সাইজ বিকল? | গড় | সব যোগ ÷ কয়টা | ২৮ ÷ ৭ = ৪ |
| মাঝের সাইজ কোনটা? | মধ্যক | ছোট থেকে বড় সাজিয়ে ঠিক মাঝেরটা | ২, ৩, ৩, ৩, ৫, ৫, ৭ → ৩ |
| কোন সাইজ সবচেয়ে বেশি বিকল? | প্রচুরক | যেটা সবচেয়ে বেশিবার এসেছে | ৩ (তিনবার) |
গড় = যোগ করে ভাগ, মধ্যক = সাজিয়ে মাঝ, প্রচুরক = বারবার যে আসে।
দোকানদারের কাজে লাগে প্রচুরক: কোন সাইজ বেশি করে আনতে হবে সেটা প্রচুরক বলে দেয়।
জোড় সংখ্যক মান হলে মধ্যক
মান জোড় সংখ্যক হলে ঠিক মাঝে একটা থাকে না, দুটো থাকে। তখন মধ্যক = ওই দুটোর গড়।
৪, ৮, ৬, ১০, ২, ১২ → সাজালে ২, ৪, ৬, ৮, ১০, ১২ → মধ্যক (৬ + ৮) ÷ ২ = ৭।
পরিসর
সবচেয়ে বড় মান থেকে সবচেয়ে ছোট মান বাদ দিলে পরিসর। জুতার উদাহরণে ৭ − ২ = ৫। এটা বলে তথ্যগুলো কতটা ছড়িয়ে আছে।
পরীক্ষার ফাঁদ
- মধ্যক বের করার আগে সাজাতে ভুলে যাওয়া। এটাই সবচেয়ে কমন ভুল।
- জোড় সংখ্যক মানে মাঝের একটা মান নিয়ে নেওয়া। দুটোর গড় নিতে হয়।
- গড় আর মধ্যক গুলিয়ে ফেলা। গড় হিসাব করে বের হয়, মধ্যক সাজিয়ে খুঁজে বের হয়।
- একটা তথ্যসারিতে একাধিক প্রচুরক থাকতে পারে, বা একটাও না থাকতে পারে।