এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
একটা পেনসিলের সিসকে ভাঙতে থাকুন, আরও ভাঙুন… এমন এক জায়গায় পৌঁছাবেন যেখানে আর ভাঙলে সেটা কার্বনই থাকবে না। সেই ক্ষুদ্রতম কণাই পরমাণু। আর দুই বা ততোধিক পরমাণু জোড়া লেগে তৈরি হয় অণু, যেমন দুটো হাইড্রোজেন আর একটা অক্সিজেন মিলে পানির অণু।
পরমাণুর তিন কণা
| কণা | চার্জ | ভর (প্রায়) | আবিষ্কারক |
|---|---|---|---|
| ইলেকট্রন | ঋণাত্মক (−১) | প্রোটনের প্রায় ১/১৮৩৬ ভাগ | জে. জে. টমসন, ১৮৯৭ |
| প্রোটন | ধনাত্মক (+১) | প্রায় ১ amu | রাদারফোর্ড (গোল্ডস্টাইনের ক্যানাল রশ্মি থেকে সূত্রপাত) |
| নিউট্রন | চার্জহীন (০) | প্রায় ১ amu | জেমস চ্যাডউইক, ১৯৩২ |
কৌশল: “টম দেখল ইলেকট্রন, রাদার দেখল প্রোটন, চ্যাড দেখল নিউট্রন।” আর সবচেয়ে শেষে (১৯৩২) পাওয়া গেছে চার্জহীন নিউট্রন, কারণ চার্জ না থাকায় সেটা ধরা কঠিন ছিল।
পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস (প্রোটন আর নিউট্রন), চারপাশে ঘোরে ইলেকট্রন। রাদারফোর্ড সোনার পাতে আলফা কণা ছুড়ে নিউক্লিয়াসের ধারণা দেন।
কয়েকটা সংজ্ঞা
- পারমাণবিক সংখ্যা: পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা। এটাই ঠিক করে মৌলটা কী; পর্যায় সারণিতে মৌলের জায়গাও এটা দিয়ে।
- আইসোটোপ: একই মৌলের পরমাণু, প্রোটন সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা আলাদা।
পরীক্ষার ফাঁদ
- নিউট্রনের আবিষ্কারক রাদারফোর্ড লেখা। নিউট্রন চ্যাডউইকের, ১৯৩২।
- ইলেকট্রনের ভর প্রোটনের সমান ভাবা। প্রায় ১৮৩৬ ভাগের এক ভাগ।
- আইসোটোপে প্রোটন সংখ্যা আলাদা ভাবা। আইসোটোপে প্রোটন সমান, নিউট্রন আলাদা।
নিজেকে যাচাই করুন
ভৌত বিজ্ঞান: এই ভাগের সব পাঠ
- অণু ও পরমাণু: সিসের শেষ কণা (এখন পড়ছেন)
- এসিড, ক্ষার ও লবণ: pH স্কেল এক ছবিতে
- বল, গতি ও চাপ: ফুটবল থেকে নিউটন
- তাপ: চায়ের চামচ, চুলার পানি আর সূর্য
- শব্দ: বজ্রের গর্জন কেন পরে আসে
- আলো: আপনি ৮ মিনিট আগের সূর্য দেখছেন
- চুম্বক ও বিদ্যুৎ: একই গল্পের দুই অধ্যায়
- তেজস্ক্রিয়তা: ড্রয়ারের কালো প্লেট
- ইলেকট্রনিক্স: ভ্যাকুয়াম টিউব থেকে চিপ