এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
শ্রীচৈতন্য তখন বাংলায় ভক্তির জোয়ার এনেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ভক্তেরা লিখতে শুরু করলেন তাঁর জীবনের গল্প। এভাবেই বাংলা সাহিত্যে প্রথম জন্ম নিল জীবনী সাহিত্য, একজন বাস্তব মানুষকে নিয়ে লেখা গ্রন্থ।
প্রধান চৈতন্যজীবনী
| গ্রন্থ | লেখক | সাল | বিশেষত্ব |
|---|---|---|---|
| চৈতন্যভাগবত | বৃন্দাবন দাস | ১৫৪৮ | বাংলা ভাষায় প্রথম জীবনীগ্রন্থ; চৈতন্যকে কৃষ্ণের অবতার রূপে দেখায় |
| চৈতন্যমঙ্গল | লোচনদাস | ১৫৭৬ | তিনটি চৈতন্যমঙ্গলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ধরা হয় |
| চৈতন্যচরিতামৃত | কৃষ্ণদাস কবিরাজ | ১৬১২ | বৈষ্ণব দর্শন ও সমকালীন সমাজেরও ছবি |
কেন গুরুত্বপূর্ণ
- আগে সাহিত্যের নায়ক ছিলেন দেবদেবী; জীবনী সাহিত্যে প্রথম মানুষ কেন্দ্রে এল।
- এই বইগুলো থেকে ১৬ শতকের বাংলার সমাজ, ধর্ম আর মানুষের জীবনের খবর পাওয়া যায়।
কৌশল: “ভাগবত আগে, মঙ্গল মাঝে, চরিতামৃত শেষে” (১৫৪৮ → ১৫৭৬ → ১৬১২)। লেখক: “বৃন্দাবন-লোচন-কৃষ্ণদাস”।
আরও পড়ুন: বৈষ্ণব পদাবলি · মঙ্গলকাব্য
পরীক্ষার ফাঁদ
- চৈতন্যচরিতামৃতকে প্রথম জীবনীগ্রন্থ লেখা। প্রথম চৈতন্যভাগবত (বৃন্দাবন দাস)।
- চৈতন্যমঙ্গলকে মঙ্গলকাব্য ধারার অংশ ভাবা। নামে “মঙ্গল” থাকলেও এটা জীবনী।
- শ্রীচৈতন্য নিজে জীবনী লিখেছেন ভাবা। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন ভক্তেরা।
নিজেকে যাচাই করুন
প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য: এই ভাগের সব পাঠ
- চর্যাপদ: নেপালের গ্রন্থাগারে হাজার বছরের গান
- অন্ধকার যুগ: ১২০১–১৩৫০-এর নীরবতা
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন: গোয়ালঘরে পাওয়া কাব্য
- অনুবাদ সাহিত্য: রামায়ণ-মহাভারত এল বাংলায়
- মঙ্গলকাব্য: বেহুলার ভেলা থেকে অন্নদামঙ্গল
- বৈষ্ণব পদাবলি: রাধা-কৃষ্ণের গান
- জীবনী সাহিত্য: দেবতা থেকে মানুষে (এখন পড়ছেন)
- আরাকান রাজসভা: দৌলত কাজী ও আলাওল
- পুঁথি সাহিত্য: বটতলার দোভাষী কাব্য
- লোকসাহিত্য ও গীতিকা: মহুয়ার দেশ