এই পাঠের তথ্য উৎস মিলিয়ে লেখা ও প্রথমবার যাচাই করা হয়েছে; কয়েক দিন পর দ্বিতীয়বার যাচাই চলছে। কোথাও ভুল চোখে পড়লে নিচের “ভুল জানান” বাক্সে লিখুন।
ময়মনসিংহের গ্রামে মাঝিরা, কৃষকেরা মুখে মুখে গাইতেন মহুয়ার গল্প: বেদের মেয়ে মহুয়া আর জমিদারপুত্র নদের চাঁদের প্রেম। কেউ লিখে রাখেনি। বিশ শতকের শুরুতে স্থানীয় সংগ্রাহকেরা এমন পালাগান সংগ্রহ করলেন, আর পণ্ডিত দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদনা করে ছাপালেন। জন্ম নিল মৈমনসিংহ গীতিকা।
মৈমনসিংহ গীতিকা
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রকাশ | ১৯২৩ |
| সম্পাদক | দীনেশচন্দ্র সেন |
| পালা | ১০টি |
| উল্লেখযোগ্য পালা | মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ান ভাবনা, দস্যু কেনারামের পালা, রূপবতী, কঙ্ক ও লীলা, কাজলরেখা, দেওয়ানা মদিনা |
| মহুয়া পালার রচয়িতা | দ্বিজ কানাই |
পূর্ববঙ্গ গীতিকা
মৈমনসিংহ গীতিকার সাফল্যের পর ১৯২৬ সালে তিন খণ্ডে বের হয় পূর্ববঙ্গ গীতিকা; এতে ময়মনসিংহ, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের পালা।
লোকসাহিত্যের আরও রূপ
- ছড়া, প্রবাদ-প্রবচন, ধাঁধা
- রূপকথা ও উপকথা
- লোকগান: ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, বাউল, জারি-সারি
কৌশল: “দীনেশের দশ পালা, ২৩-এ ছাপা” (দীনেশচন্দ্র সেন, ১০টি পালা, ১৯২৩)। আর “মহুয়া কানাইয়ের” (দ্বিজ কানাই)।
আরও পড়ুন: পুঁথি সাহিত্য · জসীমউদ্দীন
পরীক্ষার ফাঁদ
- মৈমনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক ও সম্পাদক একই ব্যক্তি ভাবা। স্থানীয় সংগ্রাহকেরা সংগ্রহ করেন; সম্পাদনা দীনেশচন্দ্র সেনের।
- মহুয়া পালার রচয়িতা চন্দ্রাবতী লেখা। মহুয়া দ্বিজ কানাইয়ের; চন্দ্রাবতী নিজেই একটি পালার নায়িকা (এবং কবি)।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকা আগে প্রকাশিত লেখা। মৈমনসিংহ গীতিকা ১৯২৩, পূর্ববঙ্গ গীতিকা ১৯২৬।
নিজেকে যাচাই করুন
প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য: এই ভাগের সব পাঠ
- চর্যাপদ: নেপালের গ্রন্থাগারে হাজার বছরের গান
- অন্ধকার যুগ: ১২০১–১৩৫০-এর নীরবতা
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন: গোয়ালঘরে পাওয়া কাব্য
- অনুবাদ সাহিত্য: রামায়ণ-মহাভারত এল বাংলায়
- মঙ্গলকাব্য: বেহুলার ভেলা থেকে অন্নদামঙ্গল
- বৈষ্ণব পদাবলি: রাধা-কৃষ্ণের গান
- জীবনী সাহিত্য: দেবতা থেকে মানুষে
- আরাকান রাজসভা: দৌলত কাজী ও আলাওল
- পুঁথি সাহিত্য: বটতলার দোভাষী কাব্য
- লোকসাহিত্য ও গীতিকা: মহুয়ার দেশ (এখন পড়ছেন)